পিসিএম-এ অর্ঘ্যজ্যোতি ও পিসিবি-তে শীর্ষে বৈভব –

0

ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স ২০২৬-এর ফলাফল প্রকাশ। পিসিএম গ্রুপে প্রথম অর্ঘ্যজ্যোতি সাহা এবং পিসিবি-তে শীর্ষে বৈভব রায়।

পিসিএম-এ অর্ঘ্যজ্যোতি ও পিসিবি-তে শীর্ষে বৈভব -

পিসিএম-এ অর্ঘ্যজ্যোতি ও পিসিবি-তে শীর্ষে বৈভব - সংক্রান্ত ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদন

ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স ২০২৬-এর ফলাফল প্রকাশ। পিসিএম গ্রুপে প্রথম অর্ঘ্যজ্যোতি সাহা এবং পিসিবি-তে শীর্ষে বৈভব রায়।

মূল কথা: নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা: রাজ্যের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সোপান ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলো ত্রিপুরা বোর্ড অফ জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশান । ফল প্রকাশ…

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা: রাজ্যের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সোপান ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলো ত্রিপুরা বোর্ড অফ জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশান ।

ফল প্রকাশ করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. রাজা চক্রবর্তী। ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে শুরু হয়েছে পরবর্তী কাউন্সেলিং ও ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে জোর আলোচনা। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মোট ৪,৭৩১ জন পরীক্ষার্থী রাজ্যের ১৫টি কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২,০৮৬ জন ছাত্র এবং ২,৬৪৫ জন ছাত্রী।

আবেদনকারীদের মধ্যে ৬০৪ জন শুধুমাত্র পিসিএম (PCM), ২,৬৬৬ জন পিসিবি (PCB), এবং ১,৪৬১ জন উভয় গ্রুপে আবেদন করে। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় সর্বাধিক ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্র রাখা হয়েছিল, বাকি জেলাগুলিতে একটি করে কেন্দ্র ছিল। ফলাফলে PCM (Physics–Chemistry–Mathematics) গ্রুপে প্রথম হয়েছেন অর্ঘ্যজ্যোতি সাহা, দ্বিতীয় অনিমেষ সরকার এবং তৃতীয় আকাশ চৌধুরী।

অন্যদিকে PCB (Physics–Chemistry–Biology) গ্রুপে প্রথম হয়েছেন বৈভব রায়, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আকাশ চৌধুরী এবং তৃতীয় হয়েছেন অর্ণব মিত্র। এবারের পরীক্ষায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ছিল ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ (cut-off)। বোর্ড জানিয়েছে, নির্দিষ্ট ন্যূনতম নম্বরের নিচে থাকা উত্তরপত্র, মূল্যায়নের বাইরে রাখা হয়েছে।

ফলে মেধাতালিকা আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থীরা নিজেদের বিষয়ভিত্তিক নম্বর, র‌্যাঙ্ক এবং OMR শিটও অনলাইনে দেখতে পারবে, যা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়াবে। ফল প্রকাশের পর খুব শীঘ্রই শুরু হবে অনলাইন কাউন্সেলিং ও চয়েস ফিলিং।

ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স শুধুমাত্র একটি প্রবেশিকা পরীক্ষা নয়, এটি রাজ্যের বহু শিক্ষার্থীর পেশাগত শিক্ষার প্রধান দরজা। এই পরীক্ষার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কোটার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। ত্রিপুরা জয়েন্টের ফলাফলের ভিত্তিতে সাধারণত, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি, কৃষিবিজ্ঞান, ভেটেরিনারি সায়েন্স, প্যারামেডিক্যাল কোর্স ছাড়াও, বিজ্ঞানভিত্তিক অন্যান্য পেশাগত স্নাতক কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়।

ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সাম মূলত, রাজ্যভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য হলেও এর মাধ্যমে অর্জিত একাডেমিক ভিত্তি নিয়ে বহু শিক্ষার্থী পরবর্তীতে জাতীয় স্তরের প্রতিষ্ঠানেও উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যায়।বিশেষত প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক পেশাগত শিক্ষার ক্ষেত্রে TJEE দীর্ঘদিন ধরে ত্রিপুরার শিক্ষার্থীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্রিপুরা জয়েন্টের ফলাফল ছাত্রছাত্রীদের আগামীদিনে শিক্ষার ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে তা বলাই যায়।

Save my name, email, and website in this browser for the next time I comment.

শেয়ার করুন

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *